National Anthem / জাতীয় সংগীত Of India - Jana-Gana-Mana (জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে ভারতের জাতীয় সঙ্গীত) By রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর - Rabindranath Tagore In ১৯১১ খ্রিষ্টাব্দে

 জাতীয় সংগীত  (জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে ভারতের জাতীয় সঙ্গীত)

---------------------------------------------------------------------------------------------------------------

ভারতীয় জাতীয় সংগীত " জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে " এর রচনা করেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর  । " জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে " সর্ব প্রথম গানটি গাওযা হয় ১৯১১ খ্রিষ্টাব্দে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অধিবেশনে । এই সংগীতটি  ১৯৫০ সালে ভারতীয় জাতীয় সংগীত রূপে স্বীকৃতি লাভ করে (প্রথম স্তবকটি ) । 


১৮৮২ সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় " বন্দেমাতরম " গানটিও রচনা করেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর  " জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে " এর রচনা করেন দুটি সংগীতই জাতীয় সংগীত রূপে স্বীকৃতি লাভ করে বা সমমর্যাদায় পই । বর্তমানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর রচিত " জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে " গানটিও ভারতীয় জাতীয় সংগীত রূপে স্বীকৃতি লাভ করে  এবং বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর " বন্দেমাতরম " গানটি বাংলাদেশ এর জাতীয় সংগীত রূপে গৃহীত হয় । উভই দেশের জাতীয় সংগীতকে আমরা শ্রদ্ধা করি । 

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর রচিত " জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে " সংগীতটি ইমন রাগে কাহারবা তালে নিবদ্ধ । এটি দীনেন্দ্রনাথ ঠাকুর এর স্বরলিপিকার । 

    জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে " এর প্রথম স্তবকটি যেটি ভারতীয় জাতীয় সংগীত রূপে স্বীকৃত ঃ-

     জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে ভারতভাগ্যবিধাতা!
    পঞ্জাব সিন্ধু গুজরাট মরাঠা দ্রাবিড় উৎকল বঙ্গ
    বিন্ধ্য হিমাচল যমুনা গঙ্গা উচ্ছলজলধিতরঙ্গ
    তব শুভ নামে জাগে, তব শুভ আশিষ মাগে,
    গাহে তব জয়গাথা।
    জনগণমঙ্গলদায়ক জয় হে ভারতভাগ্যবিধাতা!
    জয় হে, জয় হে, জয় হে, জয় জয় জয় জয় হে।।

    -------------------------------------------------------------------------------

    কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর সম্পূর্ণ " জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে " সংগীতটি হল ঃ


    জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে ভারতভাগ্যবিধাতা!
    পঞ্জাব সিন্ধু গুজরাট মরাঠা দ্রাবিড় উৎকল বঙ্গ
    বিন্ধ্য হিমাচল যমুনা গঙ্গা উচ্ছলজলধিতরঙ্গ
    তব শুভ নামে জাগে, তব শুভ আশিষ মাগে,
    গাহে তব জয়গাথা।
    জনগণমঙ্গলদায়ক জয় হে ভারতভাগ্যবিধাতা!
    জয় হে, জয় হে, জয় হে, জয় জয় জয় জয় হে।।

    অহরহ তব আহ্বান প্রচারিত, শুনি তব উদার বাণী
    হিন্দু বৌদ্ধ শিখ জৈন পারসিক মুসলমান খৃস্টানী
    পূরব পশ্চিম আসে তব সিংহাসন-পাশে
    প্রেমহার হয় গাঁথা।
    জনগণ-ঐক্য-বিধায়ক জয় হে ভারতভাগ্যবিধাতা!
    জয় হে, জয় হে, জয় হে, জয় জয় জয় জয় হে।।

    পতন-অভ্যুদয়-বন্ধুর পন্থা, যুগ যুগ ধাবিত যাত্রী।
    হে চিরসারথি, তব রথচক্রে মুখরিত পথ দিনরাত্রি।
    দারুণ বিপ্লব-মাঝে তব শঙ্খধ্বনি বাজে
    সঙ্কটদুঃখত্রাতা।
    জনগণপথপরিচায়ক জয় হে ভারতভাগ্যবিধাতা!
    জয় হে, জয় হে, জয় হে, জয় জয় জয় জয় হে।।

    ঘোরতিমিরঘন নিবিড় নিশীথে পীড়িত মূর্ছিত দেশে
    জাগ্রত ছিল তব অবিচল মঙ্গল নতনয়নে অনিমেষে।
    দুঃস্বপ্নে আতঙ্কে রক্ষা করিলে অঙ্কে
    স্নেহময়ী তুমি মাতা।
    জনগণদুঃখত্রায়ক জয় হে ভারতভাগ্যবিধাতা!
    জয় হে, জয় হে, জয় হে, জয় জয় জয় জয় হে।।

    রাত্রি প্রভাতিল, উদিল রবিচ্ছবি পূর্ব-উদয়গিরিভালে –
    গাহে বিহঙ্গম, পূণ্য সমীরণ নবজীবনরস ঢালে।
    তব করুণারুণরাগে নিদ্রিত ভারত জাগে
    তব চরণে নত মাথা।
    জয় জয় জয় হে জয় রাজেশ্বর ভারতভাগ্যবিধাতা!
    জয় হে, জয় হে, জয় হে, জয় জয় জয় জয় হে।।

    Rabindranath Tagore

    -------------------------------------------------------------------------------------------------

    মতামতঃ

    " মহাত্মা গান্ধীর মতামত "- " জনগণমন শুধু একটি গানমাত্র নয়, এটি একটি “দিব্য স্তোত্র”। এটি চরিত্রে স্বতন্ত্রভাবেই জাতীয়। এর “গায়নযোগ্যতা”-ও আছে। "


    সংগৃহীত :

    সম্পূর্ণ তথ্য গুলি আমি কিছু গ্রন্থ পরে আপাদের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি । তথ্য গুলি অনেক জ্ঞানদায়ক । তথ্য গুলি অতি সাধারন বাংলা ভাষাই লেখা । আশা করছি আপাদের এই তথ্য গুলি ভালো লাগেছে ।

    একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

    0 মন্তব্য