ভারতের জাতীয় প্রতীক / National Emblem Of India - জাতীয় প্রতীক অশোক স্তম্ভটি ২৬শে জানুয়ারী ১৯৫০ সালে, আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয় - Indian Emblem

 

  ভারতের জাতীয় প্রতীক / National Emblem Of India

------------------------------------------------------------------------------------------------



সম্রাট আশকের  সমরাজ্যে সিংহচতুর্মুখ স্তম্ভ  থেকে ভারতের জাতীয় প্রতীকের চিহ্নটি নেওয়া হয়। প্রই ২৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে, সম্রাট আশকের শাসন কালে তিনি বারনাসির কাছে সারনাথে সিংহচতুর্মুখ স্তম্ভ অর্থাৎ  অশোক স্তম্ভ এর স্থাপন করেন । বর্তমানে অশোক স্তম্ভটি নিজের স্থানে থাকেলেও অশোক স্তম্ভের শীর্ষটি সারনাথ সংগ্রহালয়ে স্থানান্তরিত করা হয়েছে ।  প্রথম 1947 সালে ডিসেম্বর মাসে , সম্রাট আশকের  সমরাজ্যে সিংহচতুর্মুখ স্তম্ভটি ভারতের জাতীয় প্রতীক রূপে গৃহীত হয়েছিল । সেই দিন অর্থাৎ ২৬ জানুয়ারি ১৯৫০ সালে ভারত প্রজাতন্ত্র রাষ্ট্র  হিসাবে ঘোষিত হয়েছিল ।



    নির্মাণ করা ঃ 

    ২৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে , সম্রাট আশকের  সমরাজ্যে সিংহচতুর্মুখ স্তম্ভটি বেলেপাথর দ্বারা গঠন করা হয় । বর্তমানে অশোক স্তম্ভের শীর্ষটি সারনাথ সংগ্রহালয়ে স্থানান্তরিত করা হয়েছে । অশোক স্তম্ভটি সম্রাট আশকের একটি আসাধারন ভাস্কর্য ।


    -------------------------------

    ইতিহাস ঃ 


    ভারতের সংবিধানের  মূল অনুলিপিটি  পরিষ্কার ভাবে করার জন্য ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস দায়িত্বটি 
    নন্দলাল বসুকে দেন ( সেই সময় কার - শান্তিনিকেতনের কলা    বিভাগের অধ্যক্ষ ছিলেন ) । 
    অধ্যক্ষ নন্দলাল বসু ও তার প্রিও ছাত্ররা মিলে এই কাজটি সুন্দর ভাবে সম্পন্ন করেন । নন্দলাল বসুর ছাত্রদের মধ্যে একজন ছিলেন দীননাথ ভার্গব - আপনারা জানলে আবাক হবেন যে নন্দলাল বসুর ছাত্রের সে সময় বয়স হল মাত্র ২১ বছর । ভারতীয় সংবিধানের প্রথম পাতায় অশোকের সিংহচতুর্মুখ স্তম্ভটি অন্তর্ভুক্ত করতে নন্দলাল বসু খুবই আগ্রহী ছিলেন। সেই সময় থেকে দীননাথ ভার্গব ( নন্দলাল বসুর  প্রিও ছাত্র ) প্রতিদিন শান্তিনিকেতন থেকে কলকাতা চিড়িয়াখানায় যাতায়াত করতেন সুধু মাত্র  সিংহদের আচার-আচরণ দেখার জন্য । 

    ----------------------------

    ব্যবহার ঃ 

    ভারত সরকারের সমস্থ দাপ্তরে , ভারতীয় মুদ্রায়, জাতীয় পাসপোর্টে এবং আরও বহুক্ষেত্রে অশোক স্তম্ভের চিহ্নটি ব্যাবহার করা হয় । অশোক স্তম্ভের চিহ্নটির মধ্যে যে চক্রটি আছে সেটি ভারতীয় পতাকার কেন্দ্রে স্থান পেয়েছে । 

    ভারতের রাষ্ট্রীয় প্রতীক ( অশোক স্তম্ভ ) ২০০৫ এর অধীনে এই প্রতীকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রিত করা হয়েছে । এখনে বলা হয়েছে  যে কোনো ব্যক্তিগত বা বেসরকারী সংস্থা্রা এই প্রতীকটি ব্যবহার করতে পারবেনা । সারনাথ রাজধানীতে চারটি এশীয় সিংহ পরস্পরের দিকে পিঠ করে বসে আছে সারনাথ রাজধানীতে চারটি এশীয় সিংহ পরস্পরের দিকে পিঠ করে বসে আছে - এরা শক্তি, সাহস, আত্মবিশ্বাস এবং গর্বের প্রতীক । অশোক স্তম্ভের নিচে একটি ঘোড়া এবং একটি ষাঁড় রয়েছে, এবং এর কেন্দ্রে একটি চক্র (ধর্ম চক্র) রয়েছে । সম্রাট আশকের  সমরাজ্যে সিংহচতুর্মুখ স্তম্ভটি বেলেপাথর দ্বারা গঠন করা হয় । অশোক স্তম্ভটিতে কেবল মাত্র তিনটি সিংহই দৃশ্যমান, চতুর্থ সিংহটি দেখা যায় না ।

    ----------------------------------------------------------------

    সংগৃহীত :

    সম্পূর্ণ তথ্য গুলি আমি কিছু গ্রন্থ পরে আপাদের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি । তথ্য গুলি অনেক জ্ঞানদায়ক । তথ্য গুলি অতি সাধারন বাংলা ভাষাই লেখা । আশা করছি আপাদের এই তথ্য গুলি ভালো লাগেছে ।

    Post a Comment

    0 Comments